আলোচ্য প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ১৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরে একই সময়ে যা ছিল ১ টাকা ৪৪ পয়সা। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) প্যারামাউন্ট টেক্সটাইলের ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৩৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ২ টাকা ৪৬ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৪৫ টাকা ৬ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে প্যারামাউন্ট টেক্সটাইলের ইপিএস হয়েছে ৬ টাকা ৪৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৬ টাকা ২ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৪৩ টাকা ৮৯ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১৫ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। এর মধ্যে ৫ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে প্যারামাউন্ট টেক্সটাইলের ইপিএস হয়েছে ৬ টাকা ৬২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৭ টাকা ৫১ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৪১ টাকা ৭২ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে প্যারামাউন্ট টেক্সটাইলের ইপিএস হয়েছে ৭ টাকা ৫১ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪ টাকা ৬৭ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩৬ টাকা ১০ পয়সায়।
২০১৩ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্যারামাউন্ট টেক্সটাইলের অনুমোদিত মূলধন ৫০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১৭৯ কোটি ১১ লাখ ৭০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৫৫২ কোটি ৯৫ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১৭ কোটি ৯১ লাখ ১৬ হাজার ৮৮৬। এর ৬০ দশমিক ৯৫ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১৪ দশমিক ৭৬, বিদেশী বিনিয়োগকারী ৪ দশমিক ৩৩ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ১৯ দশমিক ৯৬ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।